আমি ও অমিতাভ স্যার




শুভম চক্রবর্তী



(১)

বি.সি কলেজ হোস্টেলের ঠিক পাশে অমিতাভ স্যারের হলুদ বাড়ি
বিষন্নতাখোর আমরা বাতিল স্টুডেন্ট
প্রত্যহ স্যারের বাড়ি যাই
অনন্ত আশ্রয় আর নির্জনতা মেখে দেন স্যার
হটাৎ বিকেলবেলা প্রেমিকারা ধোকা দেয়
তৎক্ষনাৎ ছুটে যাই অমিতাভ স্যারের উঠোনে
কেঁদেকেটে আমাদের ছেঁড়া গেঞ্জি ভিজেছে যখন
অলীক দরজা খুলে কাঁধে হাত রাখেন তিনি
আমাদের নিয়ে যান বোধিবৃক্ষের গোড়ায়
বেঁচে থাকার অথবা মরে যাওয়ার কথা শোনান
রাত বাড়লেই শীতঘুম চাগাড় দেওয়া নিয়ম
শীতঘুমের মধ্যে স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নের আলফাজ পেরিয়ে ডেকে নেন স্যার
আমাদের ইচ্ছেমৃত্যু স্যারের দুপায়ে লুটিয়ে পড়ে. . . .

(২)

আলোকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর
কুয়াশার সঙ্গে দেখা হয়
প্রতিদিন কুয়াশা কসমিক স্রোতের সঙ্গে সেক্স করে
স্যার আপনার ডানা ,মারাত্বক আশ্রয়প্রদ
স্যার আপনার তিলক,ভয়ংকর বেদনাবিভূতি
স্যার আপনার পাঞ্জাবীর বাঁপকেটে দুটো আকাশ আর একটি চড়ুই রাখা আছে
আর সেই চড়ুই এর পেটেই আছে আমার প্রানভোমরা
স্যার যেদিন নিয়েন্ডারথাল এর গুহায় যাবো
আপনার মোবাইলে তিনটে মিসকল দেবো
ওমনি ফুড়ুৎ করে আপনি উড়ে যাবেন সেখানে
ছেঁড়া চপ্পলের ওপর বসে সেদিন খুব করে মাড়ভাত-আলুসেদ্ধ খাওয়া যাবে . . .