তিনটি কবিতা




তানিয়া চক্রবর্তী



রেস্তোরাঁর কুকুর (স্থান- হাজরা)


কুকুরকে গু খাওয়ানো উচিত নয়
তবু সে খায় --- স্বধর্মে আসক্তি
আসক্তি থেকে লাফিয়ে পড়ে উন্মাদনায়,
আমি রাস্তার কুকুরকে মাথায় হাত বুলিয়ে
আইসক্রিম খাওয়াতে নিয়ে গেছিলাম
সে বীর্যমাফিক পড়ে গেল নর্দমায়
ধর্ষকামীকে সুখী করতে পৃথিবীর কেউ পারে না!
এই ধর্মীয় স্থানে কুকুরকে কী দেওয়া উচিত?
আসলে কুকুর যা পাবে তাই খাবে
বস্তি থেকে রেস্তোরাঁর ঘর, গু কিম্বা আইসক্রিম
তার নিজস্ব কিছুই নেই
সে অনুকৃতি থেকে বড় হয়
এদের গু ও বিসর্গ দিয়ে ছাড়ুন
এদের কুকুর থেকে মানুষ হওয়া দেখতে দেখতে
আপনি পৃথিবীর দু’পাশ চাপা হওয়ার
কারণ খুঁজে পাবেন---

চুপ, বস্ত্রহরণ


তুমি কেন এভাবে কটাদিনেই!
আসলে আঁকড়াতে গিয়ে
বুনোঘাসে পা কেটে গেল, ডুবে গেল
তুমি কেন এভাবে কটাদিনেই!
আসলে ও বন্ধুর বাড়িতে বীর্যের ছাঁকনি চেয়েছিল
তুমি কেন এভাবে...
আসলে ও বলেছিল চুপ,
আমি বস্ত্রহরণ করব আদরের বাহানায়

আসলে জানলা ধরে
মায়ের জন্য অপেক্ষা করতাম জানো
তাই পাগলের গঠন না দেখে
শুধুই জড়িয়ে ধরলাম

তুমি তো কবিতা লিখতে পারো বাবু,
আমি আমি আমি ---ভ্রান্ত, চন্দ্রাহত গ্লানি

তুমি ধরিত্রীর সামনে ভাস্কর্যকে দাঁড় করাও
আমি বলছি, তোমাও অঙ্গার দিয়ে যাব মেয়ে
তুমি সংক্রমণ ভুলে যেও
বেশ্যার ঘরে ও রোজ যাক
ওর তো জন্মের মাটিই নেই
ওকে তুমি ক্ষমা করো, আমিও করেছি
জলে ফেলে দাও বুনোঘাস...

রাক্ষস


সে নাকি লিঙ্গ থেকে প্রতিদিন
ছড়িয়ে দেয় ভয়ঙ্কর শ্লেষ!
সে নারীযোনির অভিশাপগ্রস্থ
কেঁদে কেঁদে কূলহীন একটা নদী বানানোর পর
সে তার ধর্ম খুঁজে পাবে মোটে একবার!
তার পর মৃত্যু হবে তার সংক্রমণে,
আমরা এদের কেবল মায়া দিতে পারি
আর দুটো টাকা, খাদ্য কিম্বা সামান্য পোশাক
এর বেশী কিছু দিলে
এরা রাক্ষস হয়ে যায়